এশিয়ার বাজারে মিশ্র প্রবণতায় স্বর্ণের চাহিদা

এশিয়ার বাজারে চলতি সপ্তাহে স্বর্ণের চাহিদায় মিশ্র প্রবণতা দেখা গেছে। শীর্ষ ব্যবহারকারী দেশ চীনে চলতি সপ্তাহে মূল্যবান ধাতুটির চাহিদা আরো কমেছে।

এশিয়ার বাজারে চলতি সপ্তাহে স্বর্ণের চাহিদায় মিশ্র প্রবণতা দেখা গেছে। শীর্ষ ব্যবহারকারী দেশ চীনে চলতি সপ্তাহে মূল্যবান ধাতুটির চাহিদা আরো কমেছে। দেশটিতে বৈশ্বিক দরের তুলনায় মূল্যছাড় বহু বছরের মধ্যে সর্বনিম্নে নেমে এসেছে। তবে উচ্চ মূল্যের মধ্যেও ভারতসহ এশিয়ার অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ কেন্দ্রে ক্রয়প্রবণতা অব্যাহত রয়েছে। খবর রয়টার্স।

চীনে বৈশ্বিক বাজারের দামের তুলনায় স্বর্ণ বেচাকেনায় মূল্যছাড় বেড়ে দাঁড়িয়েছে আউন্সপ্রতি ৩১-৭১ ডলার, যা গত সপ্তাহের ২১-৩৬ ডলারের তুলনায় বেশি।

ইমপ্রুভডের মূল্যবান ধাতু ব্যবসায়ী হুগো পাসকেল জানান, স্বর্ণের দামে ছাড় বাড়লেও সাংহাই ফিউচারস এক্সচেঞ্জে লেনদেন সক্রিয় রয়েছে। এর কারণ হলো চীনের সিএসআই৩০০ সূচকে দ্রুত মুনাফার সুযোগ। ফলে বিনিয়োগকারীদের কাছে স্বর্ণের তুলনায় শেয়ারবাজারের চাহিদা বেড়েছে।

এদিকে দ্বিতীয় শীর্ষ ব্যবহারকারী দেশ ভারতে স্বর্ণ বেচাকেনায় মূল্য সংযোজন (প্রিমিয়াম) স্থিতিশীল রয়েছে। দেশটিতে অভ্যন্তরীণ দামের তুলনায় আউন্সপ্রতি সর্বোচ্চ ৭ ডলার মূল্য সংযোজন করা হচ্ছে, যা ২০২৪ সালের নভেম্বরের পর সর্বোচ্চ। মুম্বাইভিত্তিক পাইকারি বিক্রেতা চেনাজি নার্সিংহজির মালিক আশোক জৈন বলেন, ‘বিনিয়োগকারীরা রেকর্ড দামের মধ্যেও কয়েন ও বার কিনছেন। তারা আশা করছেন, মূল্যবান ধাতুটির দামের ঊর্ধ্বগতি অব্যাহত থাকবে।

চলতি সপ্তাহে দেশটিতে প্রতি ১০ গ্রাম স্বর্ণের দাম সর্বোচ্চ ১ লাখ ১৪ হাজার ১৭৯ রুপিতে পৌঁছেছিল। গত শুক্রবার তা দাঁড়িয়েছে প্রায় ১ লাখ ১২ হাজার ৫০০ রুপিতে।

এক বেসরকারি ব্যাংকের মুম্বাইভিত্তিক ডিলার জানান, সম্ভাব্য উচ্চ আমদানি শুল্কের আগে গহনা ব্যবসায়ী ও বুলিয়ন ডিলাররা দ্রুত আমদানি বাড়াচ্ছে।

এশিয়ার অন্য বাজারের মধ্যে হংকংয়ে স্বর্ণের প্রিমিয়াম দাঁড়িয়েছে প্রতি আউন্সে ১ ডলার ৫০ সেন্ট থেকে ২ ডলারে। সিঙ্গাপুরে তা স্থির হয়েছে ১ ডলার ৫০ সেন্ট থেকে ২ ডলার ৫০ সেন্ট। সিঙ্গাপুরভিত্তিক গোল্ডসিলভার সেন্ট্রালের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ব্রায়ান লান বলেন, ‘দাম কিছুটা কমলেই চাহিদা আরো বাড়বে।’

আরও